স্মৃতিকথা ও অনুভূতি • ৫ মার্চ ২০২৩ • ১ মিনিট পাঠ
স্মৃতির দর্পণে মায়ের বদনখানি
মা। মর্যাদাশীল এবং হিরে, মোতি, পান্নার চেয়েও দামী একটি শব্দ।
সভ্য পৃথিবীর প্রতিটি বিবেকবান মানুষই জানে এবং অনুধাবন করে—একজন মায়ের কাছে যেমন তার সন্তান জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ, প্রাণের চেয়েও প্রিয় প্রাণতুল্য; তেমনি সন্তানের কাছেও তার মা এক অমূল্য রত্ন। সন্তানের নয়নে মা নক্ষত্রতুল্য, প্রবাদতুল্য এক অকৃত্রিম আশ্রয়।
পার্থিব সম্পদ হারালে মানুষ যেমন ব্যথিত হয়, আকুলিত হয়; তেমনি সন্তানহারা মা আর মাতৃহারা সন্তানের হৃদয়মন্দির আমৃত্যু বহন করে এক নিদারুণ বেদনা। যা দূর করার সাধ্য এই পৃথিবীর কারোর নেই। মায়ের শূন্য স্থানটা পূরণ করবার আর কেউ থাকে না।
মাতৃবিয়োগের পর দিন যায়, মাস যায়, একের পর এক বছর গড়িয়ে চলে—তবুও চোখের সামনে ভেসে ওঠা মায়ের কোমল বদনখানি ভুলতে পারি না। ভোলার জিনিসও তো এটি নয়। সেই পবিত্র অবয়বটা ভেসে উঠলেই চোখের বাঁধভাঙা সলিলকে আর ধরে রাখা যায় না।
মাকে নিয়ে লিখতে বসলেই ভেতরের কতো অব্যক্ত কথা জমা হয়ে থাকে! পারি না কলমের কালিতে সবটা তুলে আনতে। হাত কেঁপে ওঠে, ভাবনা আটকে যায়।
"মা, তুমি দয়ার পরম মালিকের অসীম রহমতের ছায়ায় শান্তিতেই থাকো দিবানিশি"—এটাই রাব্বুল আলামীনের দরবারে আমার আজীবনের আরজি ও মুনাজাত।